মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ মে ২০১৫

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ৯ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন


প্রকাশন তারিখ : 2015-04-09

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ এপ্রিল ২০১৫ তারিখ সকাল ১০-৩০ ঘটিকায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর সচিব বেগম সুরাইয়া বেগম, এনডিসি; বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব; জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব; মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, দপ্তর ও সংস্থা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। তিনি এ মন্ত্রণালয়কে অব্যাহত সহযোগিতা প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিগত বছরগুলোতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

 

পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য এবং দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানির প্রাপ্যতা বাড়াতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে শহরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ের ধনী এবং গরীবের বৈষম্য হ্রাস পেয়েছে। ধনী এবং গরীবের আয়-বৈষম্য আরও হ্রাস করার জন্য ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাতে হবে। এ জন্য যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য সুন্দর পরিবেশ রেখে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন যে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করলে বিল কম দিতে হবে সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে। ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি রিমোট দিয়ে বন্ধ করলেও বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই মেইন সুইচ বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, সারাদেশে সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। গ্রামীণ জনপদে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। চর এলাকা, পাহাড়ী এলাকা, দুর্গম এলাকা এবং দ্বীপাঞ্চলকে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের আওতায় আনতে হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানির স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে কৃষিযোগ্য ও শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত জমির ব্যবহার যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। তিনি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে নির্দেশনা প্রদান করেন। তা’ ছাড়া সেচ কাজে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গ্রাম/উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।  তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর এক স্থান থেকে জনগণের সেবা প্রাপ্তি (One Stop Service) নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদে একই ভবনে সকল কার্যালয় স্থাপনের ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। ফলে জনগণ এক স্থান থেকে একই সাথে একাধিক সেবার সুবিধা পাচ্ছে। এতে জনগণের হয়রানি ও যাতায়াত ব্যয় হ্রাস পেয়েছে।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী দিবারাত্র অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিদ্যুতের উৎপাদন ৩৫০০ মেগাওয়াট থেকে ১৩,০০০ মেঃওঃ-এ উন্নীত করায় সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি ভবিষ্যতেও সকলকে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান। তিনি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।


Share with :

Facebook Facebook